আমাদের টাইপ করা বইগুলোতে বানান ভুল রয়ে গিয়েছে প্রচুর। আমরা ভুলগুলো ঠিক করার চেষ্টা করছি ক্রমাগত। ভুল শুধরানো এবং টাইপ সেটিং জড়িত কাজে সহায়তা করতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।
ইসলামের দন্ডবিধি প্রিন্ট কর ইমেল
লিখেছেন ড. আব্দুলহামিদ আহমদ আবুসোলাইমান   
Thursday, 19 June 2008
আর্টিকেল সূচি
ইসলামের দন্ডবিধি
ইসলামের স্হায়ী ও পরিবর্তনশীল বিধানের সমকালীন সংস্কার : ইসলামের দন্ডবিধি-একটি নমুনা
পদ্ধতিগত সমস্যা
ইসলামী দন্ডবিধির ক্ষেত্রে ছাত্রাবাস কক্ষে ছাত্র সংখ্যা নির্ধারণের সমস্যার সমাধানে আধুনিক দৃস্টিভঙ্গি
চারজন সাক্ষীর সামাজিক প্রমাণ
ইসলামিক দন্ডবিধির প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে সমাজে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠাকরণ
শাস্তি প্রয়োগের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে অপরাধ দমন, প্রতিশোধ গ্রহণ নয়
কারিকুলামগত আলোচনা

কারিকুলামগত আলোচনা

ছাত্রাবাস সমস্যা সমাধান সম্পর্কে সামাজিক মনস্তাত্ত্বিক বিষয়ে গবেষণা ও চিন্তা-ভাবনার ফলে ইসলামী শরীয়তের গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ের দিক নির্দেশনা এবং তার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। যার কারণে এ গবেষণা, সামাজিক ব্যবস্থাপান এবং মনস্তাত্ত্বিক বিষয়ে একটি দিক নির্দেশনামূলক মূলনীতিতি পরিনত হয়েছে। এজন্য লেখক আশা করেন যে, এ গবেষণা পদ্ধতিটি যেন কার্যকর হয়। এবং মুসলিম সমাজের সামাজিক বিভিন্ন দিক ও বিভিন্ন বিষয়ে অনুশীলন করা হয়। যাতে আবারও সামাজিক ভিত্তির পুন: গঠন, নতুন শক্তির সঞ্ঝার এবং সামাজিক প্রতিনিধিত্বমূলক উন্নয়ন সম্ভব হয়। এবং পরিপূর্ণ ইসলামী নির্দেশাবলী ও তার স্হায়ী বিধানাবলীর ভিত্তিতে সমকালীন বিষয়াদির প্রতি আবারও দৃস্টি দেওয়া করা যায়। যাতে ইসলামী শরীয়তের উদ্ধৃতি সমূহ ও যথার্থ পদ্ধতির আলোকে সমকালীন ঘটনাবলী ও সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জসমূহ অনুধাবন করে এর সঠিক সমাধান মূলক বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করা যায়। তা হলেই ইসলাম ও ইসলামী শরীয়ত এবং তার বিধানাবলী উম্মাহর জন্য নতুন করে হেদায়েতের সঠিক প্রদীপ হিসেবে পরিণত হবে। এমনকি মানব জগতে নতুন করে প্রতিনিধিত্বমূলক ও কল্যাণকর মানব সভ্যতার বিকাশ সাধন করবে।

ইসলামী শরীয়তের বিধানসমূহের মধ্যে কোনটি পরিবর্তনশীল আর কোনটি পরিবর্তনশীল নয় সেটি বড় বিষয় নয়। বরং সবেচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে কিভাবে ইসলামী শরীয়তের বিধান সমূহকে অনুধাবন করে মানুষের সমাজে উপস্হাপন করা যায় এবং কিভাবে সেই বিধানগুলোর মাধ্যমে সভ্যতা, সংস্কৃতি, নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব ইত্যাদি বিষয়ে জাতির লক্ষ্য উদ্দেশ্যগুলো বাস্তবায়ন করা যায়।

লেখকের মতে, তার এ অভিজ্ঞতার বিশেষ ফলাফল প্রকাশ পেয়েছে মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েটদের গঠন ও তাদের সফলতা অর্জনের ক্ষেত্রে। তাতেই রয়েছে লেখকের অভিজ্ঞতা ও সফলতার বাস্তব ও জীবন্ত উদাহরণ। যার রূপদান করেছিল সবকিছুর সমন্বয়ে গঠিত বাস্তব ভিত্তিক ইসলামিক সেই কারিকুলাম। যার কার্যক্রমের সূচনা হয়েছিল ইসলামিক জ্ঞানের উৎসের এককত্ব অর্থাৎ ইলমে ওহী ও জ্ঞান-বিজ্ঞান এবং প্রকৃতি বিজ্ঞানের মধ্যে সমন্বয় সাধনের ভিত্তি করে এবং যার লক্ষ্য উদ্দেশ্য ছিল ন্যায় নীতির ভিত্তিতে, শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিস্ঠা মধ্য দিয়ে একটি আদর্শ ও শক্তিশালী সমাজ গঠন করা।



সর্বশেষ আপডেট ( Saturday, 07 November 2009 )