আমাদের টাইপ করা বইগুলোতে বানান ভুল রয়ে গিয়েছে প্রচুর। আমরা ভুলগুলো ঠিক করার চেষ্টা করছি ক্রমাগত। ভুল শুধরানো এবং টাইপ সেটিং জড়িত কাজে সহায়তা করতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।
মুসলিম বোন ও পর্দার হুকুম প্রিন্ট কর ইমেল
লিখেছেন শাহ্‌ ওয়ালী উল্লাহ   
Thursday, 19 June 2008
আর্টিকেল সূচি
মুসলিম বোন ও পর্দার হুকুম
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী
সাবধান
ভয়াবহ পরিণতি
প্রত্যেক পিতার উদ্দেশ্য
অভিবাদন ও সুসংবাদ
শরীয়াতের দৃষ্টিতে পর্দার (হিজাবের) শর্তাবলী
তাহলে শোন উপদেশাবলী

প্রত্যেক পিতার উদ্দেশ্য

আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার ঘোষণা হলো :

“হে ঈমানদার লোকেরা, নিজেকে এবং স্বীয় পরিবার-পরিজনকে সেই অগ্নি থেকে রক্ষা কর, যার ইন্ধন হবে মানুষ ও পাথর, যাতে নিয়োজিত আছে পাষাণ হৃদয় কঠোর স্বভাব ফেরেশতাগণ। আল্লাহ্‌ তা’আলা যা আদেশ করেন, তা তারা অমান্য করে না এবং যা করতে আদেশ করা হয় তাই তারা করে।: (সূরা তাহ্‌রীম, ৬৬ : আয়াত ৬)

এই আয়াতের ব্যাখ্যায় আলী বিন আবি তালিব (রাঃ) বলেছেন, ‘তাদের আদব-কায়দা তথা ইসলামী শিষ্টাচার এবং দুনিয়ার সুষ্ঠ জীবন যাপনের (পরিচালনার) প্রয়োজনীয় জ্ঞান শিক্ষা দাও।’

কাতাদাহ (রা:) বলেছেন : ‘তোমরা তাদের (তোমাদের পরিবার-পরিজনকে) আল্লাহ্‌র আনুগত্যের নির্দেশ দাও এবং তাঁর নিষেধাবলী থেকে বেঁচে থাকার উপদেশ প্রদান করো।

ওহে পিতা,
ইঞ্জিনিয়ার যদি তোমাকে তোমার নির্মাণাধীন বাড়ি সম্পর্কে বলে : ‘তোমারে দালানে ভিত্তি মজবুত হয়নি সুতরাং এটাকে আরো বড় করার পূর্বেই ঠিক করে নেয়া উচিত। নতুবা এটা অচিরেই ধ্বংস হয়ে যাবে।’ তখন তুমি কি করবে?

অবশ্যই তুমি তোমার সর্বশক্তি দিয়ে একে ভেঙ্গে ফেলে ভিত্তিটা মজবুত করে গড়ে তুলবে এবং এ ব্যাপারে সচেষ্ট থাকবে।

সত্য এমনটি নয় কি?

যদি তাই হয়। তাহলে তুমি তোমার আগামী উত্তরাধিকারী বা বংশধর নামক দালানের ভিত্তি অর্থাৎ তোমার কন্যার ব্যাপারে কি করবে ও করেছ? অথচ এই সম্পর্কে স্বয়ং আল্লাহ্‌ তোমাকে নির্দেশ দিয়েছেন সর্বশক্তি দিয়ে তাকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করতে।

সুতরাং তুমি তোমার পক্ষ থেকে তার জন্যে কি পেশ করেছ?

ওহে পিতা,
ঐ সমস্ত নির্লজ্জ যুবতীরা, যারা আল্লাহ্‌র আদেশ-নিষেধের প্রতি কোনরূপ ভ্রক্ষেপ করে না বরং স্বীয় প্রবৃত্তির অনুসরনেই নিজেরা মত্ত তারা কি আসমান থেকে পতিত হয়েছে? না যমীনে নীচ থেকে অংকুরিত হয়ে ফুটে উঠেছে?

কোনটিই নয় বরং তারা বের হয়েছে তোমার ঘর থেকে এবং তোমার অন্য মুসলিম ভাইয়ের ঘর থেকে।

সুতরাং হে পিতা,
তুমি আল্লাহকে ভয় কর এবং তোমার কন্যার ব্যাপারে দুনিয়া-দারীর চেয়েও বেশী গুরত্ব দাও। আর তুমি তাদের অন্তর্ভূক্ত হয়ো না, যাদের সম্পর্কে রাসূলুলস্নাহ্‌ (সা:) এরশাদ করেছেন :

‘দাইউস ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না।’ সাহাবায়ে কেরাম (রা:) জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূল! দাইউস কে? উত্তরে রাসুলূলস্নাহ (সা:) বললেন, ‘যে ব্যক্তি তার পরিবারে আল্লাহ্‌র আদেশ-নিষেধ বাস্তবায়নের ব্যাপারে কোন তৎপরতা অবলম্বন করে না বরং উপেক্ষা করে চলে।’

অন্য বর্ণনায় এসেছে যে, ‘দাইউস হল সে, যে তার পরিবারে বেহায়পনার বাস্তবায়নে সন্তষ্ট ও পরিতুষ্ট।’ (আহমদ)



সর্বশেষ আপডেট ( Monday, 01 December 2008 )