আমাদের টাইপ করা বইগুলোতে বানান ভুল রয়ে গিয়েছে প্রচুর। আমরা ভুলগুলো ঠিক করার চেষ্টা করছি ক্রমাগত। ভুল শুধরানো এবং টাইপ সেটিং জড়িত কাজে সহায়তা করতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।
কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান: সামঞ্জস্যপূর্ণ না অসামঞ্জস্যপূর্ণ? প্রিন্ট কর ইমেল
লিখেছেন ড: জাকির আবদুল করিম নায়েক   
Thursday, 31 July 2008
আর্টিকেল সূচি
কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান: সামঞ্জস্যপূর্ণ না অসামঞ্জস্যপূর্ণ?
১. কোরআনের চ্যালেঞ্জ
২. জ্যোতিষ শাস্ত্র
৩.পদার্থ বিজ্ঞান
৪.পানি বিজ্ঞান
৫.ভূতত্ব বিজ্ঞান
৬.মহাসাগর
৭.উদ্ভিদ বিজ্ঞান
৮.প্রাণী বিজ্ঞান
৯.ওষুধ
১০.শারীরতত্ব
১১. ভ্রুণতত্ব
১২. সাধারন বিজ্ঞান
১৩.উপসংহার

১৩.উপসংহার

কোরাআনে বর্ণিত বৈজ্ঞানিক সত্যগুলোকে সমকালে সংঘটিত কোন ঘটনা বলে অভিহিত করা সাধারণ জ্ঞান এবং সত্যিকার বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিপস্থী।মূলতঃকোরআনের আয়াতসমূহের বৈজ্ঞানিক যথার্থতা কোরআনের এই উন্মুক্ত ঘোষণার নিশ্চয়তা দেয়ঃ

-------------------(আরবী )

“এখন আমি তাদেরকে আমার নিদর্শন প্রদর্শন করবো পৃথিবীর দিগন্তে এবং তাদের নিজেদের মধ্যে;ফলে তাদের কাছে ফুটে উঠবে যে,এ কোরআন সত্য।আপনার রব বিষয়ে সাক্ষ্যদাতা এটা কি যথেষ্ট নয় ?”সূরা হা মীম সাজদা -৫৩

আল্লাহ আরো বলেনঃ

------------------------- (আরবী )

“নিশ্চয়ই আসমান ও যমীনের সৃষ্টি এবং দিন ও রাতের পরিবর্তনের মধ্যে জ্ঞানীদের জন্য রয়েছে নিদর্শন।সূরা আলে ইমরান -১৯০

কোরআনের বৈজ্ঞানিক সাক্ষ্য পরিষ্কার প্রমাণ যে,এটা ঐশী গ্রহ্নে।১৪০০ বছর আগে,কোন মানুষের পক্ষে এরূপ বস্তুনিষ্ঠ ও সত্য বৈজ্ঞানিক বিষয়াদি সম্বলিত কোন বই লেখা সম্ভব নয়।

যাই হোক,কোরআন কোন বিজ্ঞান গ্রহ্ন নয়,রবং নিদর্শন গ্রহ্ন।এ সকল নিদর্শন মানুষকে পৃথিবীতে পাঠানো এবং প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য রক্ষা করে বাস করার উদ্দেশ্য উপলব্ধি করার আহ্বান জানায়।কোরআন সত্যিকার অর্থেই আল্লাহর পয়গাম যিনি গোটা বিশ্বের স্রষ্টা ও রক্ষক।এতে আল্লাহ একত্ববাদের পয়গাম রয়েছে যার প্রতি সকল নবী রাসূলগন দাওয়াত দিয়েছেন।তাদের মধ্যে আদম (আঃ),মূসা (আঃ),ঈসা (আঃ) এবং মোহাম্মদ (সঃ) অন্যতম।

‘কোরআন ও আধুনকি বিজ্ঞান-এবিষয়ের উপর বহু বই পুস্তক তৈরি হয়েছে এবং আরো অনেক গবেষণা চলছে।ইনশাআল্লাহ,এই গবেষণা মানব জাতিকে আল্লাহর বাণীর নিকটবর্তী করবে।এ পুস্তিকায় কোরআনের অল্প কয়েকটি বৈজ্ঞানিক সত্যই তুলে ধরা হয়েছে।আমি বিষয়টির উপর পূর্ণ ইনসাফ করতে পেরেছি বলে দাবী করিনা।

অধ্যাপক তেজাসেন কোরআনের একটি মাত্র আয়াতের শক্তির কারনে ইসলাম গ্রহণ করেছেন।কোরআন ঐশী গ্রহ্ন কিনা এবিষয়ে কেউ হয় তো ১০টি নিদর্শন আবার কেউ হয়তো ১০০টি নিদর্শনের প্রয়োজন অনুভব করতে পারে।আবার কেউ ১ হাজার নিদর্শন দেখেও ইসলাম গ্রহন করবেনা।কোরআন এ জাতীয় বদ্ধ অন্তরের নিন্দা করে বলেছেঃ

-----------------------(আরবী )

‘তারা বধির,বোবা ও অন্ধ,তারা কখনও ফিরে আসবেনা।সূরা আলবাকারা-১৮

পবিত্র কোরআন ব্যক্তি ও সমাজের জন্য পরিপূণ জীবন ব্যবস্থা।কোরআনী জীবন ব্যবস্থা মানুষের অজ্ঞতার ভিত্তিতে তৈরি বিভিন্ন মতবাদ থেকে অনেক উন্নত।স্রষ্টার চাইতে অপেক্ষাকৃত ভাল হেদায়েত কে দিতে পারে ?

আমি দোআ করি,আল্লাহ যেন এই সামান্য প্রচেষ্টাটুকু কবুল করেন।আমি তাঁর ক্ষমা ও হেদায়াত প্রার্থী। আমীন।



সর্বশেষ আপডেট ( Monday, 09 November 2009 )