|
পাতা 20 মোট 20
(১৯)
দৈনন্দিন জীবনে কুরআন হাদিস যিকর দু'আ
এ বইতে আমরা এ যাবত ইসলামের বিভিন্ন দিক
সম্পর্কে আলোচনা করে এসেছি। এ যাবতকার আলোচনা থেকে কয়েকটি মৌলিক বিষয় পরিষ্কার
হয়েছে। সেগুলো হলো :
১. মানুষ এবং গোটা মহাবিশ্বের স্রষ্টা, মালিক, প্রভু, প্রতিপালক এবং একচ্ছত্র শাসক হচ্ছেন আল্লাহ।
২. আল্লাহ এক এবং একক। কোনো দিক থেকেই কেউ এবং
কোনো কিছু মহান আল্লাহর অংশীদার নয়।
৩. মুহাম্মদ সা. আল্লাহর আখেরি রসূল। একমাত্র
তাঁর অনুসরণের মাধ্যমেই আল্লাহকে জানা, মানা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব।
৪. আখিরাতের মুক্তি ও সাফল্যই মানব জীবনের
প্রকৃত মুক্তি ও সাফল্য।
৫. আল্লাহ মানুষ সৃষ্টি করেছেন তাঁর দাসত্ব, আনুগত্য ও হুকুম পালন করার জন্যে, তাঁর মর্জি মতো চলার জন্যে।
৬. ইসলাম আল্লাহ প্রদত্ত জীবন পদ্ধতি। ইসলাম
আল্লাহর আনুগত্যের বিধান।
৭. ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা-যা মানুষের
ব্যক্তি জীবন, সমাজ জীবন ও রাষ্ট্রীয় জীবনে
প্রতিষ্ঠিত হতে এসেছে।
৮. ইসলামের ভিত্তিতে জীবন যাপন করার মধ্যেই
নিহিত রয়েছে মানুষের পার্থিব জীবনের শান্তি ও কল্যাণ, আর পরকালীন জীবনের সাফল্য।
পুরো বইতে এই বিষয়গুলো আলোচিত হবার পর এবার
মুখস্ত করা এবং অনুশীলন করার জন্যে কুরআনের কিছু আয়াত এবং কয়েকটি হাদিস উল্লেখ করা
হলো। সেই সাথে দৈনন্দিন জীবনে অনুশীলন করার জন্যে কিছু যিকর আযকার এবং দু’আ লিপিবদ্ধ করা হলো। এগুলোর মাধ্যমে আল্লাহর সান্নিধ্য ও
সাহায্য লাভের পথ সুগম হবে ইনশাল্লাহ।
১. দৈনন্দিন জীবনে কুরআন
এখানে আল কুরআনের কয়েকটি আয়াত এবং আয়াতাংশ
উল্লেখ করা হলো। এ আয়াতগুলো লিপিবদ্ধ করা হলো মূলত মুখস্ত করার জন্যে। এগুলোতে
ঈমান,
তাওহীদ, ইসলাম, জ্ঞানার্জন, ইসলামের মৌলিক বিধান, পারস্পরিক
সম্পর্ক এবং আল্লাহর সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধির উপায় সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে। যিনি এ
আয়াতগুলো মুখস্ত করবেন :
১. এর আলোকে নিজেকে গড়ে নিতে তার জন্যে সহজ
হবে।
২. এর আলোকে অন্যদের দাওয়াত প্রদান করতে এবং
আহ্বান জানাতে তার জন্যে সহজ হবে।
তাহলে এবার আসুন, আয়াতগুলো বারবার পড়ি, মুখস্ত করি এবং বাস্তব জীবনে অনুশীলন করি।
قُلْ هُوَ اللهُ اَحَدٌ
অর্থ : (হে নবী!) মানুষকে জানিয়ে দাও: তিনি
আল্লাহ,
তিনি এক ও একক।
-সূরা ১১২ আল ইখলাস : আয়াত ১।
اِقْرَأ بِاسْمِ رَبِّكَ
الَّذِيْ خَلَقَ
অর্থ : পড়ো তোমার সেই মহান প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন। -সূরা ৯৬ আল আলাক : আয়াত ১।
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَـٰنِ
الرَّحِيمِ
অথর্ : আরম্ভ করছি আল্লাহর নামে, যিনি অসীম দয়ালু, পরম করুণাময়। -সূরা ১ আল ফাতিহা : আয়াত ১।
اَللهُ لاَ الٰه اِلاَّ
هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّوْم
অর্থ : আল্লাহ, তিনি ছাড়া আর কোনো ইলাহ্ নেই। তিনি চিরঞ্জীব, চিরন্তন। -সূরা ২ আল বাকারা : আয়াত ২৫৫।
الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ
الْعَالَمِينَ - اَلرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ
অর্থ : সমস্ত প্রশংসার মালিক একমাত্র আল্লাহ, যিনি মহাজগতের মালিক, পরিচালক ও প্রতিপালক। অসীম দয়ালু ও পরম করুণাময় তিনি। -সূরা ১ আল ফাতিহা :
আয়াত ২-৩।
فَآمِنُوْ بِالله وَرَسُوْلِه
وَالنُّوْرِ الَّذِىْ اَنْزَلْنَا
অর্থ : অতএব, তোমরা ঈমান আনো আল্লাহর প্রতি এবং তাঁর রসূলের প্রতি, আর সেই আলোর (আল কুরআনের) প্রতি, যা আমি নাযিল করেছি। -সূরা ৬৪ আত তাগাবুন : আয়াত ৮।
وَلَـٰكِنَّ الْبِرَّ
مَنْ آمَنَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَالْمَلاَئِكَةِ وَالْكِتَابِ وَالنَّبِيِّينَ
অর্থ : বরং সঠিক কাজ হলো ঐ ব্যক্তির কাজ, যে ঈমান আনলো আল্লাহর প্রতি, পরকালের প্রতি, ফেরেশতাদের
প্রতি,
আল্লাহর নাযিলকৃত কিতাবসমূহের প্রতি এবং নবীগণের প্রতি।’ -সূরা ২ আল বাকারা : আয়াত ১৭৭।
وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ
وَالْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ
অর্থ : আমার দাসত্ব-আনুগত্য ও হুকুম পালন করা
ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে আমি মানুষ আর জ্বিন সৃষ্টি করিনি। -সূরা ৫১ আল যারিয়াত :
আয়াত ৫৬।
إِنَّ الدِّينَ عِندَ
اللَّهِ الْإِسْلاَمُ
অর্থ : আল্লাহর কাছে ইসলামই একমাত্র দীন
(জীবন-যাপনের পদ্ধতি)। (সূরা ৩ আলে ইমরান : আয়াত ১৯।
وَاعْبُدُوا اللَّهَ وَلاَ
تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا ۖ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا
অর্থ : তোমরা এক আল্লাহর দাসত্ব ও আনুগত্য করো, তাঁর সাথে কোনো কিছুকেই শরিক করো না এবং মাতা-পিতার সাথে
উত্তম আচরণ করো। -সূরা ৪ আন নিসা : আয়াত ৩৬।
قُلْ هَلْ يَسْتَوِي الَّذِينَ
يَعْلَمُونَ وَالَّذِينَ لاَ يَعْلَمُوْنَ
অর্থ : ওদের জিজ্ঞেস করো: যারা জানে (যারা
জ্ঞানী) আর যারা জানে না (যারা অজ্ঞ)- এই উভয় ধরনের লোক কি এক রকম? -সূরা ৩৯ আল জুমার : আয়াত ৯।
إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ
مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ
অর্থ : আল্লাহকে তারাই ভয় করে (মেনে চলে), তাঁর দাসদের মধ্যে যারা জ্ঞানী। -সূরা ৩৫ আল ফাতির : আয়াত
২৮।
قُوْلُوْا لِلنَّاسِ حُسْنًا
অর্থ :
আর মানুষের সাথে উত্তম ও চমৎকার কথা বলো। -সূরা ২ বাকারা : ৮৩।
اِنَّ اللهَ يَأمُرُ بِالْعَدْلِ
وَالاِْحْسَانِ
অর্থ : আল্লাহ নির্দেশ দিচ্ছেন সুবিচার এবং
পরোপকার করার। -সূরা ১৬ আল নহল : আয়াত ৯০।
وَاَحْسِنْ كَمَا اَحْسَنَ
اللهُ اِلَيْكَ
অর্থ : আর (মানুষের প্রতি) দয়া করো, যেমন আল্লাহ তোমার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন। -সূরা ২৮ আল কাসাস
: আয়াত ৭৭।
وَاَوْفُوْا بِالْعَهْدِ
اِنَّ الْعَهْدَ كَانَ مَسْئُوْلاَ
অর্থ : তোমরা প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করো, কারণ প্রতিশ্রুতির ব্যাপারে অবশ্যি জিজ্ঞাসা করা হবে। -সূরা
১৭ ইসরা : আয়াত ৩৪।
اِنَّمَا الْمُؤْمِنُوْنَ
اِخْوَة
অর্থ :
নিশ্চয়ই মুমিনরা একে অপরের ভাই। -সূরা ৪৯ আল হুজুরাত : আয়াত ১০।
وَمَنْ يَتَوَكَّلْ عَلَى
اللهِ فَهُوَ حَسْبُهُ
অর্থ : যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, তার জন্যে আল্লাহই যথেষ্ট। -সূরা ৬৫ আত তালাক : আয়াত ৩।
وَلَلاٰخِرَةُ خَيْرٌلَّكَ
مِنَ الْاُوْلٰى
অর্থ : প্রথম জীবনের চেয়ে শেষের জীবনই
(দুনিয়ার চাইতে আখিরাতই) তোমার জন্য উত্তম। -সূরা ৯৩ আদ দোহা : আয়াত ৪।
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ
آمَنُوا ادْخُلُوا فِي السِّلْمِ كَافَّةً وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ
অর্থ : হে ঐসব লোকেরা যারা ঈমান এনেছো, তোমরা ইসলামের মধ্যে পুরোপুরি প্রবেশ করো এবং (জীবনের কোনো
ক্ষেত্রে) শয়তানের পদাংক অনুসরণ করো না। -সূরা ২ আল বাকারা : আয়াত ২০৮।
وَاعْتَصِمُوْا بِحَبْلِ
اللهِ جَمِيْعًا وَلاَ تَفَرَّقُوْا
অর্থ: তোমরা সবাই মিলে আল্লাহর রজ্জু (আল
কুরআনকে) শক্ত করে ধরো এবং কিছুতেই বিচ্ছিন্ন-বিভক্ত হয়ো না। -সূরা ৩ আলে ইমরান :
আয়াত ১০৩।
২. দৈনন্দিন জীবনে হাদিস
আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সা. এর কয়েকটি
হাদিস লিপিবদ্ধ করা হলো। অর্থসহ হাসিদগুলো মুখস্ত করলে জীবন চলার পথে কাজে লাগানো
যাবে।
قُلْ اٰمَنْتُ بِاللهِ
ثُمَّ اسْتَقِمْ
অর্থ : বলো : আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি; অতপর এ কথার উপর অটল থাকো। -সহীহ মুসলিম।
اِنَّ خَيْرَ الْحَدِيْثِ
كِتَابُ الله
অর্থ : সর্বোত্তম বাণী আল্লাহর কিতাব। -সহীহ
মুসলিম।
تَدَارُسُ الْعِلْمِ سَاعَةً
مِّنَ الَّيْلِ خَيْرٌ مِنْ اِحْيَائِهَا
অর্থ : রাতে কিছু সময় জ্ঞানচর্চা করা সারারাত
জেগে (ইবাদতে নিরত) থাকার চেয়ে উত্তম। -দারমি।
تَمَسَّكُوْا بِالْقُرْاٰنِ
فَاِنَّكُمْ لَنْ تَضِلُّوْا
অর্থ : কুরআনকে আঁকড়ে ধরো, তাহলে কখনো বিপথগামী হবে না। -মিশকাত।
خَيْرُ الْهَدِىْ هَدْىُ
مُحَمَّدٍ
অর্থ : সর্বোত্তম জীবন পদ্ধতি মুহাম্মদ সা.
প্রদর্শিত জীবন পদ্ধতি। -সহীহ মুসলিম।
اِنَّمَا الْاَعْمَالُ
بالنِّيَّاتِ
অর্থ : কাজের প্রতিদান নির্ভর করে নিয়্যতের
উপর -সহীহ বুখারি।
لاَ حَسَبَ كَحُسْنِ الْخَلْقِ
অর্থ : উত্তম চরিত্রের চাইতে বড় মর্যাদা আর
নেই। -মিশকাত।
رَأْسُ الْحِكْمَةِ مَخَافَةُ
اللهِ
অর্থ : জ্ঞানের মাথা হলো আল্লাহকে ভয় করা।
-মিশকাত।
مَنْ تَوَكَّلَ عَلَى
اللهِ كَفَاه اللهُ
অর্থ : যে আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্যে
আল্লাহই যথেষ্ট (ইবনে মাজাহ)
حُسْنُ الظَّنِّ مِنَ
الْعِبَادَةِ
অর্থ : সুধারণা করা একটি ইবাদত। -মুসনাদে
আহমদ।
اَلْمُسْلِمُ اَخُوْ الْمُسْلِمِ
لاَ يَظْلِمُه وَلاَ يَحْذُلُه
অর্থ : মুসলমান মুসলমানের ভাই। সে তার ভাইয়ের
প্রতি যুলম করে না এবং তাকে অপমানিতও করে না। -সহীহ মুসলিম।
لاَ تَخُنْ مَنْ خَانَكَ
অর্থ : যে তোমার সাথে বিশ্বাস ভঙ্গ করে, তুমি তার সাথে বিশ্বাস ভঙ্গ করো না। -তিরমিযি।
مَنِ اسْتَوٰى يَوْمَاه
فَهُوَ مَغْبُوْنٌ
অর্থ: যার দু’টি দিন সমান গেলো, সে ক্ষতিগ্রস্ত
হলো। -দায়লমী।
اَلصِّبْيَانُ مِنْ رَيْحَانِ
اللهِ
অর্থ : শিশুরা আল্লাহর ফুল। -তিরমিযি।
قُلِ الْحَقَّ وَاِنْ
كَانَ مُرًّا
অর্থ : সত্য কথা বলো, যদিও তা তিক্ত। -ইবনে হিব্বান।
اَفْشُوْ السَّلاَمُ بَيْنَكُمْ
অর্থ : তোমাদের মাঝে সালাম আদান-প্রদানের
ব্যাপক প্রচলন করো। -সহীহ মুসলিম।
الْغِنٰى غِنَى النَّفْسِ
অর্থ : মনের প্রাচুর্যই আসল প্রাচুর্য। -সহীহ
বুখারি।
৩. সার্বক্ষণিক যিকর-আযকার
যিকর মানে আল্লাহ তায়ালাকে স্মরণ করা। যিকরের
বহুবচন-আযকার।
একজন মুসলিমের জন্যে জীবনের সকল ক্ষেত্রে এবং
জীবন যাপনের প্রতিটি পর্যায়ে আল্লাহকে স্মরণ করা কর্তব্য। চলতে, ফিরতে, উঠতে, বসতে, খেতে, ঘুমোতে, জাগতে, সাক্ষাতে, একাকীত্বে, সমষ্টিতে সবসময় আল্লাহর স্মরণে সিক্ত থাকা উচিত একজন
মুসলিমের যবান।
একজন মুসলিম কিভাবে সবসময় স্বরণ করবে আল্লাহকে? হ্যাঁ, স্বয়ং আল্লাহ
এবং তাঁর রসূল সা. আমাদের জানিয়ে শিখিয়ে দিয়েছেন সেইসব যিকির-আযকার। এখানে কিছু
যিকির-আযকার উল্লেখ করা হলো:
১. সব সময় বলা এবং মানুষকে দাওয়াত দেয়া ও
বুঝানোর জন্যে :
لاَ اِلٰهَ اِلاَّ الله
অর্থ : আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ (হুকুমদাতা, আইনদাতা, ত্রাণকর্তা ও
ফরিয়াদ শ্রবনকারী) নাই।
২. আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণার জন্যে :
اللهُ اَكْبَر
অর্থ : আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ।
৩. আল্লাহকে সকল প্রকার ত্রুটি ও অক্ষমতা থেকে
পবিত্র ঘোষণার জন্যে :
سُبْحَانَ الله
অর্থ : আল্লাহ সকল প্রকার ত্রুটি বিচ্যুতি ও
অক্ষমতা থেকে মুক্ত পবিত্র।
৪. আল্লাহর অনুগ্রহের স্বীকৃতি প্রদান এবং
তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্যে :
اَلْحَمْدُ لِلّٰه
অর্থ : সকল প্রশংসা এবং কৃতজ্ঞতা আল্লাহর
জন্যে।
৫. বিপদ দেখা দিলে বলতে হয় :
اِنَّا لِلّٰهِ وَاِنَّ
اِلَيْهِ رَاجِعُوْن
অর্থ : আমরা আল্লাহর জন্যে এবং তাঁর কাছেই
আমরা ফিরে যাবো।
৬. বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়ার জন্যে :
لاَ اِلٰهَ اِلاَّ اَنْتَ
سُبْحَانَكَ اِنِّىْ كُنْتُ مِنَ الظَّالِيْمِيْن
অর্থ : হে আল্লাহ! তুমি ছাড়া কোনো ত্রাণকর্তা
এবং বিপদ দূরকারী নেই। সমস্ত ত্রুটি ও অক্ষমতা থেকে তুমি মুক্ত, আর আমি তো অন্যায় করে ফেলেছি।
৭. যে কোনো ভালো, শুভ ও সুন্দর কাজ আরম্ভ করার সময় :
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ
الرَّحِيمِ
অর্থ : আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি, যিনি অসীম করুণাময়, পরম দয়ালু।
৮. কোনো লোকালয়ে ও কোনো কাজে প্রবেশ করলে, কোনো কিছু ক্রয় করলে এবং কোনো সম্বন্ধ স্থাপন করলে বলতে হয়
:
اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَنَا
فِيْهَا
অর্থ : হে আল্লাহ! এখানে/ এতে আমাদেরকে কল্যাণ
ও প্রাচুর্য দান করো।
৯. ঘর থেকে বের হবার সময় বলতে হয় :
بِسْمِ اللهِ تَوَكَّلْتُ
عَلَى اللهِ وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ اِلاَّ بِالله
অর্থ : আমি আল্লাহর নামে (যাত্রা) শুরু করছি, আল্লাহর উপর ভরসা করছি। ভালো-মন্দ কোনো কিছু করার শক্তি
আল্লাহ ছাড়া কারো নেই।
১০. ঘরে প্রবেশের সময় এবং কারো সাথে সাক্ষাত
হলে সালাম বলতে হয় :
اَلسَّلاَمُ عَلَيْكُمْ
وَرَحَمَةُ الله
অর্থ : আপনার/আপনাদের প্রতি শান্তি এবং
আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক।
১১. সালামের জবাবে বলতে হয় :
وَعَلَيْكُمُ اَلسَّلاَم
وَرَحَمَةُ الله
অর্থ : আপনার/আপনাদের প্রতিও বর্ষিত হোক
শান্তি,
আল্লাহর রহমত এবং বরকত।
১২. ঘুমোতে গেলে বলতে হয় :
اَللّٰهُمَّ بِأِسْمِكَ
اَمُوْتُ وَاَحْيٰى
অর্থ :
হে আল্লাহ! তোমার নামে আমার মৃত্যু (নিদ্রা) এবং আমার জীবিত হওয়া (জেগে
উঠা)।
১৩. ঘুম থেকে উঠে বলতে হয় :
اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ اَلَّذِيْ
اَحْيَانَا بَعْدَ مَا اَمَاتَنَا وَاِلَيْهِ النُّشُوْرِ
অর্থ : শোকর সেই মহান আল্লাহর যিনি মৃত্যুর
(ঘুমানোর) পর আবার আমাকে জীবিত করলেন (জাগিয়ে তুললেন) এবং তাঁর কাছেই আমরা ফিরে
যাবো।
১৪. সকাল এবং সন্ধ্যায় বলতে হয় :
اَللّٰهُمَّ بِكَ اَصْبَحْنَا
وَبِكَ اَمْسَيْنَا وَبِكَ نَحْيٰى وَبِكَ نَمُوْتُ
অর্থ : হে আল্লাহ! তোমার নির্দেশেই আমাদের
সকাল হয় এবং সন্ধ্যা হয়। তোমার নির্দেশেই আমরা বেঁচে আছি এবং আমরা মৃত্যুবরণ করি।
১৫. কোনো অন্যায়, অপরাধ ও ত্রুটি করে ফেললে বলতে হয় :
اَسْتَغْفِرُ اللهَ
অর্থ : আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই।
১৬. ক্রোধ দেখা দিলে বলতে হয় :
اَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ
الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ
অর্থ : আমি অভিশপ্ত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয়
চাই।
১৭. বিপদের অবস্থা বর্ণনা দিতে কিংবা মন্দ খবর
শুনলে বলতে হয় :
اَلْحَمْدُ للهِ عَلٰى
كُلِّ حَالٍ
অর্থ : সর্বাবস্থায় আল্লাহর শোকর।
৪. দৈনন্দিন দু’আ
আল্লাহর সাহায্য ও করুণা লাভের গুরুত্বপূর্ণ
উপায় হলো দু’আ। একজন মুসলিমের উচিত সব সময়
আল্লাহর কাছে চাওয়া এবং দু’আ করা। আমাদের
প্রিয় নবী সা. বলেছেন : দু’আ ইবাদতের মগজ।’ তিনি আরো বলেছেন : ‘তোমরা যখন কিছু চাইবে সরাসরি আল্লাহর কাছে চাইবে।’ দু’আ নিজের মনের
ভাব ও আকাংক্ষা প্রকাশ করে নিজের ভাষায় করাই উত্তম। তবে অর্থ জানা থাকলে কুরআন এবং
হাদিসে উল্লেখিত দু’আও করা যায়।
এখানে কুরআন হাদিসের কয়েকটি দু’আ উল্লেখ করা
হলো :
১. জ্ঞান বৃদ্ধির জন্যে দু’আ :
رَبِّ زِدْنِىْ عِلْمًا
অর্থ : প্রভু! আমার জ্ঞান বাড়িয়ে দাও।
২. পিতা মাতার জন্যে দু’আ :
رَبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا
رَبَّيَانِىْ صَغِيْرًا
অর্থ : আমার প্রভু! আমার পিতা মাতার প্রতি রহম
করো,
যেভাবে ছোটবেলা থেকে তারা আমাকে স্নেহ-মমতা ও ভালবাসা দিয়ে লালন পালন
করেছেন।
৩. ক্ষমা ও রহমতের জন্যে দু’আ :
رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ
وَاَنْتَ خَيْرٌ الرَّاحِيْمِيْنَ
অর্থ : প্রভু! আমাকে ক্ষমা করে দাও, আর আমার প্রতি রহম করো। তুমিই তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়াবান।
৪. দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের জন্যে দু’আ :
رَبَّنَا اٰتِنَا فِىْ
الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِىْ الاٰخِرَةِ حَسَنَةً وَّقِنَا عَذَابَ النَّارِ
অর্থ : আমাদের প্রভু! আমাদেরকে দুনিয়া ও
আখিরাতের কল্যাণ দান করো আর আমাদের রক্ষা করো দোযখের শাস্তি থেকে।
৫. অন্যায় করে ফেললে ক্ষমা চাওয়ার দু’আ :
رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنفُسَنَا
وَإِن لَّمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ
অর্থ : প্রভু আমি তো নিজের উপর অন্যায় করে
ফেলেছি। এখন যদি তুমি আমাকে ক্ষমা ও রহম না করো তবে তো আমি ধ্বংস হয়ে যাবো।
৬. আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার দু’আ :
اَللّٰهُمَّ اِنِّى اَسْئَلُكَ
حُبَّكَ وَحُبَّ مَنْ يُّحِبُّكَ
অর্থ : আমার আল্লাহ! আমি তোমার ভালবাসা চাই, আর যে তোমাকে ভালবাসে তার ভালবাসা চাই।
৭. দুশ্চিন্তা, দুর্বলতা ও ত্রুটি বিচ্যুতি থেকে মুক্ত থাকার দু’আ :
اَللّٰهُمَّ اِنِّىْ اَعُوْذُبِكَ
مِنَ الْهَمِّ والْحُزْنِ الْعِجْزِ والْكَسْلِ والْجُبْنِ والْبُخْلِ وَضَلَعِ الدِّيْنِ
অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে পানাহ চাই
দুশ্চিন্তা থেকে, মনোকষ্ট থেকে, বার্ধক্যের অচল অবস্থা থেকে, আলস্য ও কাপুরুষতা থেকে এবং কৃপণতা ও ঋণের বোঝা থেকে।
৮. সঠিক পথ ও কল্যাণ লাভের দু’আ :
اَللّٰهُمَّ اِنِّى اَسْئَلُكَ
الْهُدٰى والتُّقٰى والْعَفَافَ والْغِنٰى
অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে চাই হিদায়াত, আল্লাহভীতি, পবিত্র জীবন এবং প্রাচুর্য।
৯. ক্ষমা রহমত ও রিযিক লাভের দু’আ :
اَللّٰهُمَّ اغْفِرْلِى
وَارْحَمْنِى واهْدِنِىْ وَعَافِنِىْ وَارْزُقْنِى
অর্থ : ওগো আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দাও, আমার প্রতি দয়া করো, আমাকে সঠিক পথ দেখাও, আমাকে স্বস্তি
দান করো এবং আমাকে জীবিকা দাও।
১০. পাপ ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির দু’আ :
رَبَّنَا اِنَّنَا اٰمَنَّا
فَاغْفِرْلَنَا ذُنُوْبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
অর্থ : প্রভু! আমরা ঈমান এনেছি। তুমি আমাদের
গুণাহ্খাতা মাফ করে দাও। আর জান্নামের আগুন থেকে আমাদের বাঁচাও।
১১. যানবাহন থেকে অবতরণ এবং সম্মান সমাদর
লাভের দু’আ :
رَبِّ اَنْزِلْنِىْ مُنْزَلاً
مُبَارَكًا وَّاَنْتَ خَيْرُ الْمُنْزِلِيْنَ
অর্থ : প্রভু! বরকতপূর্ণ স্থানে বা সম্মানের
সাথে আমাদের অবতরণ করাও। আর তুমিই তো সর্বোত্তমভাবে অবতরণ করানে ওয়ালা।
১২. আল্লাহর সাহায্য ও দয়া লাভের দু’আ :
رَبَّنَا عَلَيْكَ تَوَكَّلْنَا
وَاِلَيْكَ اَنَبْنَا وَاِلَيْكَ الْمَصِيْر
অর্থ : ওগো আমাদের অভিভাবক! আমরা তোমার উপর
তাওয়াক্কুল করলাম আর তুমিই তো আমাদের গন্তব্যস্থল।
১৩. রোগ নিরাময়ের দু’আ : رَبِّ اَنِّىْ مَسَّنِيَ
الضُّرُّ وَاَنْتَ اَرْحَمُ الرَّاحِمِيْنَ
অর্থ : প্রভু! আমার অসুখ হয়েছে, আর তুমি তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়াবান।
১৪. শত্রুর মোকাবিলায় আল্লাহর সাহায্যের জন্যে
দু’আ:
رَبَّنَا اغْفِرْلَنَا
ذُنُوْبَنَا وَاِسْرَافَنَا فِىْ اَمْرِنَا وَثَبِّتْ اَقْدَامَنَا وَانْصُرْنَا عَلَى
الْقَوْمِ الْكَافِرِيْن
অর্থ : প্রভু! আমাদের ভুলত্রুটি ও অক্ষমতাকে
ক্ষমা করো। আমাদের কাজে কর্মে তোমার
নির্দিষ্ট সীমা যা কিছু লংঘিত হয়েছে মাফ করে দাও। আমাদের কদম মজবুত করে দাও। আর
কাফেরদের মোকাবিলায় আমাদের সাহায্য করো।
১৫. জান্নাতে বাসস্থানের জন্যে দু’আ : رَبِّ ابْنِ لِىْ عِنْدَكَ
بَيْتًا فِىْ الْجَنَّة
অর্থ : প্রভু! তোমার নিকট জান্নাতে আমাকে একটি
ঘর বানিয়ে দাও।
১৬. মুসলিম হিসেবে মৃত্যু লাভের দু’আ :
رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا
صَبْرًا وَّتَوَفَّنَا مُسْلِمِيْنَ
অর্থ : হে আমাদের রব! আমাদের ধৈর্য ধারণের
তৌফিক দাও এবং আমাদের ওফাত দান করো তোমার অনুগত অবস্থায়।
১৭. বিচারের দিন সহজ হিসাব নেয়ার দু’আ : اَللّٰهُمَّ حَاسِبْنِىْ
حِسَابًا يَّسِيْرًا
অর্থ : আমার আল্লাহ! আমার যখন হিসাব নেবে, সহজ করে নিও।
সমাপ্ত
===================================
শতাব্দী প্রকাশনী
মুক্তির পথ ইসলাম
আবদুস শহীদ নাসিম
© Author
ISBN : 978-984-645-056-9
শ. প্র. : ৭০
প্রকাশক
শতাব্দী প্রকাশনী
৪৯১/১ মগবাজার ওয়ারলেস রেলগেইট
ঢাকা-১২১৭, ফোন : ৮৩১১২৯২, ০১৭৫৩৪২২২৯৬
প্রকাশকাল
প্রথম প্রকাশ : জুলাই ২০০৪ ঈসায়ী
দ্বিতীয় প্রকাশ : ডিসেম্বর ২০১০ ঈসায়ী
কম্পোজ
Saamra Computer
মুদ্রণ
আল ফালাহ প্রিন্টিং প্রেস
৪২৩ বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭
দাম : ১২০.০০ টাকা মাত্র
Muktir Path Islam (Islam : The Path of Emancipation) By Abdus
Shaheed Naseem, Published by Shotabdi Prokashoni, 491/1 Moghbazar Wireless
Railgate, Dhaka-1217, Bangladesh.
Phone: 8311292, 01753422296. 1st Edition : July 2004, 2nd Edition :
December 2010.
সূচিপত্র
বিষয় পৃষ্ঠা
১. শান্তি
মুক্তি ও ইসলাম ৯
১ বিশ্বব্যাপী অশান্তি ও অশান্তির ধরন ৯
২ সর্বব্যাপী অশান্তির কারণ ১০
৩ শান্তির উৎস কোথায়? ১২
৪ শান্তি ও মুক্তি লাভের শর্ত ১৩
৫ ইসলামই শান্তি ও শান্তির আহ্বায়ক ১৪
৬ শান্তি প্রতিষ্ঠা করবে কারা? ১৬
৭ শান্তি ও মুক্তির জন্যে চাই মৌলিক মানবীয়
গুণাবলী ১৬
৮ শান্তি ও মুক্তি নিশ্চিত করার অনিবার্য
গুণাবলী ১৭
২. মুক্তির
মহাসনদ আল কুরআন ১৯
১ মু্িক্ত
ও সাফল্যের অর্থ ১৯
২ কুরআন
মুক্তির পথ দেখায় ২০
৩ কুরআন
জীবন ও সমাজকে বদলে দেয় ২১
৪ আল
কুরআন সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণা ২২
৫ কুরআন
পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা ২৩
৬ আল
কুরআন মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে জাগরণ সৃষ্টি করে ২৪
৭ কুরআন
দ্বারা মুক্তি ও সাফল্য লাভের শর্তাবলী ২৫
৮ ইসলামের
অনুসারীদের পার্থিব মুক্তি ও সাফল্য ২৬
৯ ইসলামের
অনুসারীদের পরকালীন মুক্তি ও সাফল্য ২৭
৩. মুক্তির
পথ এক আল্লাহর ইবাদত ও খিলাফত ৩০
১ ইবাদত-এর
অর্থ ৩০
২ ইবাদত
সকল সৃষ্টির সৃষ্টিগত প্রাকৃতিক বিধান ৩১
৩ ব্যতিক্রম
শুধু জিন আর মানুষ ৩১
৪ মানুষ
ও ইবাদত ৩২
৫ মানুষ
আল্লাহ ছাড়া আর কার ইবাদত করে? ৩৩
৬ মানুষকে
কেন সৃষ্টি করা হয়েছে? ৩৪
৭ খিলাফত
কী? ৩৫
৮ খলিফার
কাজ কী? ৩৬
৯ আল্লাহ
পৃথিবীতে মানুষকে খলিফা বানিয়েছেন ৩৬
১০ মানুষ
কার খলিফা ৩৬
১১ আল্লাহর
খলিফা হবার শর্ত ৩৭
১২ আল্লাহর
খলিফার কাজ ৩৭
১৩ ইবাদত
ও খিলাফত : সারকথা ৩৯
৪. ঈমান ৪১
১ ঈমানের
পরিচয় ৪১
২ আল্লাহর
প্রতি ঈমান আনার মর্ম ৪২
৩ তাওহীদ
কী ৪৩
৪ শিরক
কী ৪৫
৫ তাওহীদ
ও শিরক ৪৫
৬ শিরক
করা মহাপাপ ৪৭
৭ মুশরিক
কে? ৪৭
৮ আখিরাতের
প্রতি ঈমান ৪৭
৯ রিসালাতের
প্রতি ঈমান ৪৮
১০ কিতাবের
প্রতি ঈমান ৪৯
১১ ফেরেশতাদের
প্রতি ঈমান ৫০
১২ তকদীরের
প্রতি ঈমান ৫০
১৩ ঈমান
ও মুমিন ৫১
৫. ইসলাম ৫২
১ ইসলাম
কী? ৫২
২ ইসলাম
মানব কল্যাণের জীবন বিধান ৫৫
৩ মুসলিম
কে? ৫৮
৪ কুফর
ও কাফির ৫৯
৫ কে
মুসলিম,
কে কাফির? ৫৯
৬ মুনাফিক ৬০
৭ ইসলামকে
জানার উপায় কি? ৬১
৬. আল্লাহর
কিতাব আল কুরআন ৬৩
১ আল
কুরআন কী? ৬৩
২ আল
কুরআনের আহ্বান ৬৩
৭. কুরআন
সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্যে আল্লাহ প্রদত্ত জীবন ব্যবস্থা ৬৭
৮. ইসলামের
কয়েকটি মৌলিক বিষয় ৭২
১ দীন
ও শরীয়ত ৭২
২ দীন
ও শরীয়তের উৎস ৭২
৩ হালাল
ও হারাম ৭৩
৪ জায়েয
ও না-জায়েয ৭৩
৫ হারাম
ও না-জায়েযের প্রকারভেদ ৭৪
৬ পালনীয়
নির্দেশের প্রকারভেদ ৭৪
৭ গুনাহ
বা পাপ ৭৫
৮ তাওবা ৭৬
৯. আনুষ্ঠানিক
ইবাদত ৭৭
১ মানব
সৃষ্টির উদ্দেশ্য ইবাদত ৭৭
২ আনুষ্ঠানিক
ইবাদত ৭৭
৩ সালাত ৭৮
৪ যাকাত ৭৮
৫ রমযান
মাসের রোযা ৮১
৬ আল্লাহর
ঘরে হজ্জ করা ৮৩
৭ উমরা ৮৪
৮ দীন
প্রচার ও প্রবর্তনের কাজ করা ৮৫
১০. ইবাদত
ও মুসলিম ৮৬
১ ইবাদত
কী? ৮৬
২ ইবাদতের
উপাদান ও বৈশিষ্ট্য ৮৬
৩ মুমিনের
জীবনটাই ইবাদতের ৮৭
৪ আল্লাহর
দাসত্বের জীবন যাপনকারীই মুসলিম ৮৮
১১. মুসলিম
জীবনে জ্ঞানার্জনের গুরুত্ব ৯৩
১ জানা
ছাড়া মানা যায় না ৯৩
২ কুরআনের
আলোকে জ্ঞানার্জন ৯৩
৩ হাদিসের
আলোকে জ্ঞানার্জন ৯৫
৪ কোন্
জ্ঞান অর্জন করা ফরয? ৯৬
১২. সালাত
কায়েম করা ৯৮
১ সালাতের
গুরুত্ব ৯৮
২ সালাতের
ফযিলত ৯৮
৩ সালাত
ও পাক পবিত্রতা ৯৯
৪ সালাত
ও অযু ৯৯
৫ অযুর
বিকল্প ১০০
৬ মসজিদ ১০০
৭ আযান ১০১
৮ জামাত
কায়েম করা ১০১
৯ ফরয
সালাত কয় ওয়াক্ত? ১০২
১০ কোন্
সালাত কতো রাকাত? ১০৩
১১ সুন্নত
সালাত ১০৩
১২ জুমার
সালাত ১০৪
১৩ তাহাজ্জদ
সালাত ১০৪
১৪ বিতর
সালাত ১০৪
১৫ ঈদের
সালাত ১০৫
১৬ ভ্রমণকালে
সালাত কসর করা ১০৫
১৭ দুই
ওয়াক্ত একত্রে পড়া ১০৫
১৩. সুসমাজ
গঠনে সালাতের শিক্ষা ১০৬
১৪. ইসলামের
প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন ১১১
১ ইকামতে
দীন ১১১
২ জিহাদ
ফী সাবীলিল্লাহ ১১২
৩ ইসলাম
প্রতিষ্ঠার পদ্ধতি নিয়মতান্ত্রিক ১১৪
৪ ইসলামে
জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসবাদের স্থান নেই ১১৬
১৫. মুসলিম
জীবনে সংগঠন ও সংঘবদ্ধতা ১১৮
১ সংগঠিত
ও জামাতবদ্ধ থাকার নির্দেশ ১১৮
২ সংগঠন
ও জামাতবদ্ধতার উদ্দেশ্য ১২০
৩ নেতৃত্বের
আনুগত্য ১২২
৪ মজবুত
অটুট সংগঠন ১২৩
১৬. অধিকার
ও কর্তব্য ১২৫
১ মানুষের
উপর আল্লাহর অধিকার ১২৫
২ আল্লাহর
উপর মানুষের অধিকার ১২৫
৩ নিজের
দেহ ও মনের অধিকার ১২৬
৪ মানুষের
উপর মানুষের সাধারণ অধিকার ১২৬
৫ মাতা
পিতার অধিকার ১২৭
৬ সন্তানদের
অধিকার ১২৭
৭ স্বামীর
অধিকার ১২৮
৮ স্ত্রীর
অধিকার ১২৮
৯ আত্মীয়
স্বজনের অধিকার ১২৯
১০ প্রতিবেশীর
অধিকার ১৩০
১১ গরীব
দুঃখীর অধিকার ১৩০
১২ মুসলমানদের
উপর মুসলমানদের বিশেষ অধিকার ১৩১
১৩ জীব
জন্তুর অধিকার ১৩১
১৭. চরিত্র
ও আচার ব্যবহার ১৩৩
১ চরিত্র
কী? ১৩৩
২ মন্দ
চরিত্র কী? ১৩৩
৩ উত্তম
চরিত্র কী? ১৩৪
৪ উত্তম
চরিত্র ও ভালো ব্যবহারের গুরুত্ব ১৩৫
৫ উপার্জন ১৩৬
৬ খরচ ১৩৭
১৮.
আখিরাতের জীবন
১৩৯
১ আখিরাত
কী? ১৩৯
২ মৃত্যু ১৩৯
৩ আলমে
বরযখ ১৪০
৪ তিনটি
প্রশ্নের জবাব ১৪১
৫ কিয়ামত ১৪২
৬ বিচার
ও প্রতিফল ১৪২
৭ জাহান্নামীরা
জাহান্নামের পথে ১৪৪
৮ জান্নাতীরা
জান্নাতের পথে ১৪৫
৯ জাহান্নামের
আযাব ১৪৬
১০ জান্নাতের
সুখ ও আনন্দ ১৪৭
১১ কী
কারণে জাহান্নামীরা জাহান্নামে যাবে? ১৪৮
১২ যেসব
কারণে মানুষ জান্নাতে যাবে ১৪৯
১৯.
দৈনন্দিন
জীবনে কুরআন হাদিস যিকর দু’আ
১৫০
১ দৈনন্দিন
জীবনে কুরআন ১৫০
২ দৈনন্দিন
জীবনে হাদিস ১৫৩
৩ সার্বক্ষণিক
যিক্র-আযকার ১৫৫
৪ দৈনন্দিন
দু’আ ১৫৮
|