আমাদের টাইপ করা বইগুলোতে বানান ভুল রয়ে গিয়েছে প্রচুর। আমরা ভুলগুলো ঠিক করার চেষ্টা করছি ক্রমাগত। ভুল শুধরানো এবং টাইপ সেটিং জড়িত কাজে সহায়তা করতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।
মদীনার ফযীলত প্রিন্ট কর ইমেল
লিখেছেন ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া   
Monday, 26 November 2007
আর্টিকেল সূচি
মদীনার ফযীলত
বরকমতময় মদীনা নগরীর কিছু ফযীলতঃ
মসজিদে নববীর সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণঃ
মদীনায় বসবাসের আদবসমুহঃ
মদীনা যিয়ারতের আদবসমূহঃ
বিদ
শরীয়ত সমর্থিত যিয়ারতের উপকারিতা এবং বিদ

মসজিদে নববীর সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণঃ

একঃ এ মসজিদে নামায পড়লে হাজার গুণের চেয়ে বর্ধিত হারে সওয়াব দেয়ার ব্যাপারটা শুধু ফরয নামাযের সাথে বিশেষিত নয়, যেমনিভাবে শুধু নাফল নামাযের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়, বরং ফরয ও নাফল যাবতীয় নামাযের ক্ষেত্রেই তা প্রযোজ্য; কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ ব্যাপারে শুধু “নামায” বলে উম্মুক্ত ঘোষণা দিয়েছেন। সুতরাং প্রত্যেক ফরয নামায এক হাজার ফরয নামাযের পরিমাণ, আর প্রত্যেক নাফল নামায এক হাজার নাফল নামাযের অনুরূপ।

দুইঃ মসজিদের সালাত আদায়ে যে বহুগুণ বর্ধিত হারে সওয়াব পাওয়া যাবে বলা হয়েছে তা শুধু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ে যতটুকু মসজিদের ভূমি নির্দিষ্ট ছিল ততটুকুর মধ্যে হতে হবে এমন নয় বরং যতটুকু ভূমি রাসূলের সময়ে মসজিদ হিসাবে গণ্য ছিল তা ছাড়াও যতবার তা বাড়ানো হয়েছে সমস্ত বর্ধিত অংশেই এ সওয়াব পাওয়া যাবে। এর প্রমাণ আমরা পাই খলিফা উমর ও উসমান (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)র কর্মকান্ডে, তাদের সময়ে এই মসজিদ সামনের দিকে বাড়ানো হয়েছিল, আর জানা কথা যে, যে অংশ বর্ধিত করা হয়েছিল সে অংশে ইমাম সাহেব এবং প্রথম কাতারগুলো দাঁড়ায়, যা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ের মসজিদের বাইরের অংশ। যদি বর্ধিত অংশের হুকুম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ের মসজিদের হুকুম না হতো তা হলে এ দু’জন সম্মানিত খলিফা কোনভাবেই মসজিদকে সামনের দিকে বাড়াতেন না। তদুপরি সাহাবাগণ তখন জীবিত ছিলেন, তাদের মধ্য থেকে কেউ তাদের এ বর্ধিত করণের বিরোধিতা করেননি। এ সব কিছুই প্রমাণ বহন করে যে, সালাত বহুগুণ বর্ধিত হওয়া শুধু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগের মসজিদের অংশের সাথে বিশেষিত নয়।

তিনঃ এ মসজিদে এমন এক টুকরো জমিন রয়েছে যাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জান্নাতের উদ্যানসমূহের একটি উদ্যান বলে বিশেষিত করেছেন। তিনি বলেছেনঃ

"ما بينَ بَيْتِيْ ومِنْبَرِيْ رَوضَةٌ من رِيَاضِ الجَنَّةٍ"

“আমার ঘরের এবং আমার মিম্বরের মাঝখানের অংশটুকু জান্নাতের উদ্যানসমুহের একটি উদ্যান”। ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক মসজিদের এ অংশকে অন্যান্য অংশ থেকে পৃথক গুণে গুণান্বিত করা দ্বারা এ অংশের আলাদা ফযীলত ও বিশেষ শ্রেষ্টত্বের উপর প্রমাণ বহন করছে। আর সে শ্রেষ্টত্ব ও ফযীলত অর্জিত হবে কাউকে কষ্ট না দিয়ে সেখানে নফল নামায আদায় করা, আল্লাহর যিক্র করা, কুরআন পাঠ করা দ্বারা। কিন্তু ফরয নামায প্রথম কাতারগুলোতে পড়া উত্তম; কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ

"خيرُ صُفُوفِ الرِّجالِ أوّلها وشرُّها آخرها"

“পুরুষদের সবচেয়ে উত্তম কাতার হলো প্রথমটি, আর সবচেয়ে খারাপ কাতার হলো শেষটি” ইমাম মুসলিম হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরোও বলেনঃ

"لو يَعْلَمُ النّاسُ ما في النّداء والصَّفِّ الأولِ، ثُمَّ لَمْ يَجِدُوْا إلا أَن يَّسْْتَهِمُوا عليه لاسْتَهَمُوْا عَلَيْه".

“যদি মানুষ আজান ও প্রথম কাতারের ফযীলত জানত, তারপর লটারী করা ব্যতীত তা পাওয়ার সম্ভাবণা না থাকত তাহলে তারা অবশ্যই তার জন্য লটারী করত”। ইমাম বুখারী ও ইমাম মুসলিম এ হাদীসখানি বর্ণনা করেছেন।

চারঃ যদি নামাযীদের দ্বারা মসজিদ পূর্ণ হয়ে যায় তাহলে যারা পরে আগমন করবে তারা ইমামের সামনের দিকে বাদ দিয়ে তিন দিক থেকে রাস্তায়ও ইমামের নামাযের সাথে নামায আদায় করতে পারবে, এবং জামা‘আতে নামায আদায়ের ফযীলত পাবে। কিন্তু হাজার গুণ বর্ধিত হারে সওয়াব পাওয়ার অধিকারী কেবলমাত্র ঐ সমস্ত লোকেরাই হবে যাদের নামায মসজিদের সীমার মধ্যে ছিল; কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ

"صَلاةٌ في مَسْجِدِيْ هذا خَيْرٌ مِّن ألفِ صلاةٍ فيما سواه إلا الْمَسْجِدِ الحَرامِ".

“আমার এ মসজিদে এক নামায মসজিদে হারাম ব্যতীত অন্যান্য মসজিদে এক হাজার নামাযের চেয়েও উত্তম”, যে ব্যক্তি আশে পাশের রাস্তায় নামায পড়ল সে মসজিদে নামায আদায়কারীর মধ্যে গণ্য হলো না। সুতরাং সে এ বহুগুণ সওয়াবের অধিকারী হবে না।

পাঁচঃ মানুষের মধ্যে একটি ধারণা ব্যাপকভাবে প্রসার লাভ করেছে যে, যদি কেউ মদীনায় আসে তাহলে সে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মসজিদে চল্লিশ ওয়াক্ত নামায আদায় করতে হবে, তাদের দলীল ইমাম আহমাদ এর মুসনাদে উল্লেখিত এক হাদীস, যা সাহাবী আনাস ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ

"مَنْ صلّى في مَسْجِدِيْ أَرْبَعينَ صَلاةً لا تفوتهُ صلاةٌ كُتبت له براءةٌ من النار ونجاةٌ من العذاب، وبَرِئَ من النِّفاقِ".

“যে আমার এ মসজিদে চল্লিশ ওয়াক্ত নামায এমনভাবে পড়বে যে এর মাঝে কোন একটি নামাযও ছুটে যাবে না তার জন্য জাহান্নাম থেকে নিস্কৃতি, শাস্তি থেকে নাজাত এবং মুনাফেকী থেকে মুক্তি লিখা হবে”। এ হাদীসটি দুর্বল, এর দ্বারা প্রমাণ পেশ করা যায় না, এ ব্যাপারে শরীয়তের হুকুম প্রশস্ত, কেউ মদীনায় আসলেই তার উপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মসজিদে নির্দিষ্ট পরিমাণ নামায পড়া বাধ্যতামুলক নয়, বরং কোন প্রকার নির্ধারণ বা সুনির্দিষ্ট সংখ্যক নামাযের সাথে বিশেষিত করা ছাড়াই এ মসজিদে প্রত্যেক নামায এক হাজার নামাযের চেয়ে উত্তম।

ছয়ঃ ইসলামী বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মুসলমানগণ কবরের উপর মসজিদ তৈরী, বা মৃতদেরকে মসজিদে দাফনের মত গর্হিত কাজে লিপ্ত হয়ে পড়েছে। তাদের কেউ কেউ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মসজিদের মধ্যে তার কবর আছে বলে দলীল নিতে চেষ্টা করে। তাদের এ ভ্রান্ত ধারণার জবাবে বলা হবে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন প্রথম মদীনায় আগমন করেন তখন এ মসজিদ বানিয়েছিলেন, তার এ মসজিদের পার্শ্বেই তিনি তার ঘর বানিয়েছিলেন যেখানে মু’মিনদের মাতা নবীর স্ত্রীগণ থাকতেন, তম্মধ্যে ছিল আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার ঘর, যে ঘরে রাসূলকে দাফন করা হয়েছে। খোলাফায়ে রাশেদীনের পূর্ণ সময়, আমীরে মু‘য়াবীয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুর সময়, এমনকি পরবর্তী আরো কয়েকজন খলিফার খিলাফত কালেও এ সমস্ত ঘর মসজিদের বাইরে ছিল। বনী উমাইয়া খলিফাদের সময়ে মসজিদে নববীকে স¤প্রসারণ করা হয় এবং আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার ঘর যেখানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কবর বিদ্যমান তাও মসজিদের গন্ডির ভিতর ঢুকানো হয়। অথচ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে (রহিত নয় এমন) বহু সুস্পষ্ট হাদীস বর্ণিত হয়েছে সেগুলো দ্বারা কবরকে মসজিদ বানাতে নিষেধ করা হয়েছে, তম্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ জুনদুব ইবনে আবদুল্লাহ আল বাজালী রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাদীস, তিনি বলেনঃ আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে তার মৃত্যুর পাঁচ রাত্রি পূর্বে বলতে শুনেছিঃ

"إِنّي أبرأُ إلى اللهِ أن يكون لِيْ منكُم خليلٌ، فإن الله اتخذني خليلاً كما اتخذ إبراهيمَ خَليْلاً، ولو كنتُ متخذاً من أمَّتِيْ خَلِيْلاً لاتَّخذْتُ أبا بكرٍ خليلاً، ألا وإنَّ من كان قبلكم كانوا يتخذون قبورَ أنبيائهم وصالحيهم مساجدَ، ألا فلا تتخذوا القبورَ مساجدَ فإنّي أنهاكُمْ عَنْ ذلكَ"

“আমি তোমাদের কারও অন্তরঙ্গ বন্ধু (খলীল) হওয়া থেকে আল্লাহর কাছে মুক্তি চাচ্ছি; কেননা আল্লাহ আমাকে খলীল বা অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করেছেন যেমনিভাবে ইব্রাহীমকে খলীল হিসাবে গ্রহণ করেছেন। আর যদি আমি আমার উম্মতের কাউকে খলীল হিসাবে গ্রহণ করতাম তাহলে আবু বকরকেই খলীল হিসাবে গ্রহণ করতাম। সাবধান! নিশ্চয়ই তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেরা তাদের নবীদের এবং সৎলোকদের কবরকে মসজিদ বানিয়ে নিত, সাবধান! তোমরা কবরসমুহকে মসজিদ বানিওনা কেননা আমি তোমাদেরকে তা থেকে নিষেধ করছি”। ইমাম মুসলিম হাদীসখানি তার সহীহ্ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।

বরং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত্যুর সন্ধিক্ষণেও কবরকে মসজিদ বানাতে নিষেধ করেছিলেন। যেমন সহীহ বুখারী ও মুসলিমে আয়েশা ও ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত হয়েছে তারা বলেছেনঃ যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর মৃত্যু উপনিত হচ্ছিল, তিনি তাঁর মুখের উপর একখানি চাদর ফেলছিলেন, তারপর যখন হুশ হলো তখন মুখ থেকে তা সরিয়ে ফেললেন এবং বললেনঃ -অথচ তিনি সেই মারাত্মক অবস্থায় ছিলেন-

"لَعْنَةُ اللهِ على الْيَهودِ والنصارَى اتَّخَذُوا قُبُوْرَ أَنْبِيائِهِمْ مَسَاجِدَ"

“ইয়াহুদ ও নাসারাদের উপর আল্লাহর অভিসম্পাত, তারা তাদের নবীদের কবরসমুহকে মসজিদে রূপান্তরিত করেছে” তারা যা করেছে তা থেকে সাবধান করাই ছিল নবীর উদ্দেশ্য।

আয়েশা, ইবনে আব্বাস এবং জুনদুব রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে বর্ণিত হাদীসগুলো এমনই অকাট্য যে সেগুলো কোন অবস্থাতেই রহিত হওয়া সম্ভব নয়; কেননা জুনদুব রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসখানি ছিল রাসূলের শেষ দিনগুলোর, আর আয়েশা ও ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমার হাদীস ছিল মৃত্যুর শেষ সন্ধিক্ষণে। সুতরাং ব্যক্তি বা দলগোষ্ঠী কোন মুসলমানের জন্যই এটা বৈধ নয় যে, রাসূল থেকে অকাট্যভাবে সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত বিষয় ত্যাগ করে বনী উমাইয়াদের যুগে যা ঘটেছিল সেটার অনুসরণ করবে, কেননা বনী উমাইয়াদের যুগেই কবরকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মসজিদের অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছিল, সুতরাং এর দ্বারা প্রমাণ নেয়া সিদ্ধ নয় যে, কবরের উপর মসজিদ বানানো, বা মসজিদের মধ্যে মৃতব্যক্তিদের দাফন করা যাবে।

মসজিদে কুবাঃ

যা এ মদীনা নগরীর সে দু’ মসজিদের অন্তর্গত যে মসজিদ দু’টির ফযীলত ও উচ্চ মর্যাদা রয়েছে। মুলতঃ ইসলামের প্রথম দিন থেকেই এ দু’টি মসজিদ তাকওয়ার ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে কথা ও কাজের মাধ্যমে এ মসজিদের মধ্যে নামায পড়ার ফযীলত প্রমাণিত হয়েছে। রাসূলের কাজঃ আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক সপ্তাহে মসজিদে কুবায় পায়ে হেটে এবং বাহনে চড়ে আসতেন তারপর সেখানে দু’রাকাত নামায পড়তেন। হাদীসখানি ইমাম বুখারী ও মুসলিম বর্ণনা করেছেন।

রাসূলের কথাঃ সাহল ইবনে হুনাইফ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ

"مَنْ تَطهَّرَ في بَيْتِِه ثمَّ أتَى مسْجِدَ قباءَ فصلّى فيه صلاةً كان له أَجْرُ عُمْرَةٍ"

“যে ব্যক্তি তার নিজ ঘরে পবিত্রতা অর্জন করবে তারপর মসজিদে কুবাতে আসার পরে সেখানে কোন নামায পড়বে সেটা তার জন্য একটি উম্রার সওয়াব হিসাবে গণ্য হবে”। হাদীসটি ইমাম ইবনে মাজাহ ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন।

এখানে রাসূলের কথা “সেখানে কোন নামায পড়বে” এর দ্বারা ফরয ও নফল যাবতীয় নামাযই শামিল করে।

এ দু’ মসজিদ ব্যতীত মদীনার অপরাপর কোন মসজিদে নামায পড়ার ফযীলত হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়নি।



সর্বশেষ আপডেট ( Saturday, 07 November 2009 )