আমাদের টাইপ করা বইগুলোতে বানান ভুল রয়ে গিয়েছে প্রচুর। আমরা ভুলগুলো ঠিক করার চেষ্টা করছি ক্রমাগত। ভুল শুধরানো এবং টাইপ সেটিং জড়িত কাজে সহায়তা করতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।
মদীনার ফযীলত প্রিন্ট কর ইমেল
লিখেছেন ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া   
Monday, 26 November 2007
আর্টিকেল সূচি
মদীনার ফযীলত
বরকমতময় মদীনা নগরীর কিছু ফযীলতঃ
মসজিদে নববীর সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণঃ
মদীনায় বসবাসের আদবসমুহঃ
মদীনা যিয়ারতের আদবসমূহঃ
বিদ
শরীয়ত সমর্থিত যিয়ারতের উপকারিতা এবং বিদ

মদীনা যিয়ারতের আদবসমূহঃ

যেমনিভাবে মদীনা বসবাসের কিছু আদাব রয়েছে, তেমনিভাবে মদীনার যিয়ারতেরও কিছু আদাব বা নিয়মনীতি রয়েছে। মদীনার যিয়ারতকারী মদীনার বসবাসকারী যে সমস্ত আদব কায়দার খেয়াল রাখতে হয় সেগুলোও খেয়াল রাখতে হবে, যার অনেকগুলো ইতিপূর্বে বর্ণিত হয়েছে। যিয়ারতকারীর জন্য অবশ্য জরুরী যে, সে মদীনা সফরের ইচ্ছা করলে তার সফরের উদ্দেশ্য যেন হয় মসজিদে নববীর যিয়ারত, এ উদ্দেশ্যেই হবে তার সফর; কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ

"لا تُشَدُّ الرِّحَالُ إلا إلى ثَلاثَةِ مَسَاجِدَ: اَلْمَسْجِدِ الْحَرَام، وَمَسْجِدِيْ هذا، وَالْمَسْجِدِ الأَقْصَى".

“তিনটি মসজিদ ব্যতীত (ইবাদাত বা সওয়াবের আশায়) অন্য কোন স্থানের উদ্দেশ্যে সফর করা যাবে নাঃ মাসজিদুল হারাম, আমার এ মসজিদ আর মাসজিদুল আক্সা”। হাদীসটি ইমাম বুখারী ও মুসলিম বর্ণনা করেছেন।

এ হাদীস দ্বারা কোন স্থানের - চাই তা মসজিদ হোক বা অন্য কোন জায়গা হোক তার উদ্দেশ্যে- সেখানে গিয়ে আল্লাহর নৈকট্য লাভ হবে এ রকম ধারণা করে সফর করা জায়েয নেই; কারণ ইমাম নাসায়ী (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) তার সুনান গ্রন্থে আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেছেনঃ “আমি বাস্রাহ ইবনে আবি বাস্রাহ আল গিফারী রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে সাক্ষাৎ করলাম, তিনি বললেনঃ কোত্থকে আসলে? আমি বললামঃ তুর পাহাড় থেকে, তিনি বললেনঃ যদি আমি সেখানে যাবার আগে তোমার সাক্ষাত পেতাম তা’হলে তুমি সেখানে যেতে না, আমি বললামঃ কেন? তিনি বললেনঃ আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ

"لا تُعْمَلُ المطيُّ إلا إلى ثَلاَثَةِ مَسَاجِدَ : اَلْمَسْجِدُ الْحَرَام، ومسجديْ، ومسجد بيت المقدس".

“তিন মসজিদ ব্যতীত (ইবাদাত বা সওয়াবের আশায়) অন্য কোন স্থানের দিকে সফরের জন্য বাহন বাঁধা যাবেনাঃ মাসজিদুল হারাম, আমার মসজিদ, আর বায়তুল মোকাদ্দাসের মসজিদ”। এ হাদীসটি বিশুদ্ধ, এ হাদীস দ্বারা সাহাবী বাস্রা ইবনে আবি বাস্রা রাদিয়াল্লাহু আনহু এ তিন মসজিদ ব্যতীত অপর কোন স্থান চাই তা মসজিদ হোক বা অন্য কোন জায়গা হোক সবখানের জন্যই সফর নিষিদ্ধ হওয়ার পক্ষে দলীল নিয়েছেন।

আর যে ব্যক্তি এ মুবারক মদীনাতে পৌঁছবে তার জন্য মদীনার দু’টি মসজিদ এবং তিনটি কবরস্থান যিয়ারত করার বিধান রয়েছে।

দু’টি মসজিদ হলোঃ

 রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মসজিদ।

 কুবা মসজিদ।

এ দু’টি মসজিদে নামায পড়ার ফযীলতের উপর প্রমাণবহ বেশ কিছু দলীল-প্রমাণাদি পূর্বেই বর্ণিত হয়েছে।

আর তিনটি কবরস্থান হলোঃ

 রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কবর এবং তার দুই সাহাবী আবু বকর ও উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমার কবর।

 বাকী‘ কবরস্থানের কবরসমুহ।

 উহুদের শহীদদের কবরস্থান।

যিয়ারতকারী যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কবর এবং তার দু’সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহুমার কবরের কাছে আসবে তখন সে তার সামনের দিক থেকে আসবে তারপর কবরের দিকে মুখ করে দাঁড়াবে অতঃপর শরীয়ত সমর্থিত যিয়ারত করবে, বিদ‘আত তথা শরীয়ত অসমর্থিত যিয়ারত থেকে বেঁচে থাকবে।

শরীয়ত সমর্থিত যিয়ারত হলোঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর সালাম দিবে, এবং অত্যন্ত আদব ও নিচু স্বরের সাথে তার জন্য দো‘আ করে বলবেঃ

"اَلسَّلامُ عَلَيْكَ يَا رَسُوْلُ اللهِ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ، صَلَّى اللهُ وَسَلَّمَ وَبَارَكَ عَلَيْكَ، وَجَزَاكَ أَفْضَلَ مَا جَزَى اللهُ نَبِيًّا عَنْ أُمَّتِهِ".

আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসূলুল্লাহ ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু, সাল্লাল্লাহু ওসাল্লামা ওয়া বারাকা আলাইকা, ওয়া জাযাকা আফদালা মা জাযাল্লাহু নাবিয়্যান আন উম্মাতিহি।

(অর্থাৎ, হে আল্লাহর রাসূল আপনার উপর সালাম, আল্লাহর রাহমাত ও তাঁর বারাকাত, আল্লাহ আপনার উপর সালাত, সালাম ও বারাকাত প্রদান করুন, আর আল্লাহ কোন নবীর প্রতি তার উম্মতের পক্ষ থেকে যত প্রতিদান তথা সওয়াব পৌছায় , আপনার প্রতি তারচেয়েও উৎকৃষ্ট প্রতিদান ও সওয়াব প্রদান করুন)।

এরপর আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর উপর সালাম দিবে এবং তার জন্য দো‘আ করবে, তারপর উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুর উপর সালাম দিবে এবং তার জন্য দো‘আ করবে।

জানা দরকার যে, এ দু’জন মহান ব্যক্তিত্ব, সঠিক পথের দিশাদানকারী খলিফাদ্বয় আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী হয়েছেন যে, তাদের মত আর কারও অর্জিত হয়নি। তম্মধ্যে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু; আল্লাহ তা‘আলা যখন তাঁর রাসূলকে হিদায়াত ও হক্ব নিয়ে পাঠালেন তখন পুরুষদের মধ্যে তিনিই প্রথম তার উপর ঈমান এনেছিলেন, নবুওত লাভের পরে মক্কা জীবনের তের বছর তিনি তার সাথে ছায়ার মত ছিলেন, যখন আল্লাহ তাঁর রাসূলকে মদীনায় হিজরত করার নির্দেশ দিলেন তখন তিনিই সফরসঙ্গী হিসাবে তার সাথে ছিলেন, আর এ ব্যাপারে আল্লাহ তা‘আলাও কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ করলেন, যার তিলাওয়াত করা হয়, তা হলো আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ

﴿إِلاّ تَنْصُرُوهُ فَقَدْ نَصَرَهُ اللَّهُ إِذْ أَخْرَجَهُ الَّذِينَ كَفَرُوا ثَانِيَ اثْنَيْنِ إِذْ هُمَا فِي الْغَارِ إِذْ يَقُولُ لِصَاحِبِهِ لا تَحْزَنْ إِنَّ اللَّهَ مَعَنَا فَأَنْزَلَ اللَّهُ سَكِينَتَهُ عَلَيْهِ وَأَيَّدَهُ بِجُنُودٍ لَمْ تَرَوْهَا وَجَعَلَ كَلِمَةَ الَّذِينَ كَفَرُوا السُّفْلَى وَكَلِمَةُ اللَّهِ هِيَ الْعُلْيَا وَاللَّهُ عَزِيزٌ حَكِيمٌ﴾ (التوبة:৪০).

(“যদি তোমরা তাকে (রাসূলকে) সাহায্য না কর, তবে মনে রেখো, আল্লাহ তার সাহায্য করেছিলেন, যখন তাকে কাফেররা বহিস্কার করেছিল, তিনি ছিলেন দু’জনের একজন, যখন তারা গুহার মধ্যে ছিলেন। তখন তিনি আপন সঙ্গীকে বললেন, বিষণœ হয়ো না, আল্লাহ আমাদের সাথে রয়েছেন। অতঃপর আল্লাহ তার প্রতি স্বীয় সান্ত্বনা নাযিল করলেন এবং তার সাহায্যে এমন বাহিনী পাঠালেন, যা তোমরা দেখনি। বস্তুতঃ আল্লাহ কাফেরদের কথা নীচু করে দিলেন আর আল্লাহর কথাই সদা সমুন্নত এবং আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়”।) (সূরা আত্ তাওবাহঃ৪০)।

অনুরূপভাবে মদীনাতেও তিনি তার সাথে দশটি বছর কাটিয়েছেন, তার সাথে সমস্ত যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন, আর যখন আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মৃত্যু হলো তিনি তার পরে খিলাফতের গুরুদায়িত্ব বহণ করলেন এবং যথাযথভাবে তা আঞ্জাম দিলেন, আবার যখন আল্লাহ তাকে মৃত্যু দিলেন তারপরও তাকে আল্লাহ তাঁর রাসূলের পাশে দাফন করিয়ে সম্মানিত করলেন, পুনরায় যখন পুনরূত্থিত হবেন তার সাথে জান্নাতে থাকবেন, এটা মূলতঃ এমন এক সম্মান যা আল্লাহ যাকে ইচ্ছা দান করেন, বস্তুতঃ আল্লাহ মহান সম্মানের অধিকারী।

অন্যদিকে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু, তারপূর্বে চল্লিশ জনের মত লোক ইসলাম গ্রহণ করেছিল, তিনি ইসলাম গ্রহণের পূর্বে মুসলমানদের উপর ছিলেন কঠোর, তারপর যখন আল্লাহ তাকে ইসলামের সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় দিলেন তখন থেকে তার যাবতীয় শক্তি ও কঠোরতা কাফেরদের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করলেন, তার ইসলাম গ্রহণ মুসলমানদের জন্য সম্মান বয়ে এনেছিল, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ যা ইমাম বুখারী তার সহীহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেনঃ “উমারের ইসলাম গ্রহণের পর থেকে আমরা সর্বদা সম্মানিত ছিলাম”।

তিনি মক্কায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সার্বক্ষণিক সাথী ছিলেন এবং তার হিজরতের সাথে সাথে মদীনায় হিজরত করেছিলেন, রাসূলের সাথে সমস্ত যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন, রাসূলের পরে যখন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু খলীফা নির্বাচিত হলেন তখন তিনি তার ডান হাত স্বরূপ ছিলেন। তারপর আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর পরে খলিফা নির্বাচিত হলেন, এবং দশ বছরের বেশী সময় পর্যন্ত খালীফা হিসাবে ছিলেন, সে সময়ে অনেক বিজয় সংঘটিত হয়েছিল, ইসলামী রাষ্ট্রের সীমারেখা অনেকদুর বিস্তৃত হয়েছিল, এমনকি বিশাল রোম ও পারস্য সম্রাজ্যদ্বয়ের পতন ঘটেছিল। আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভবিষ্যদ্বাণীর সত্যায়নে রোম সম্রাট সীজার ও পারস্য সম্রাট খসরুর যাবতীয় পুঞ্জিভূত সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় বিলিয়ে দেয়া হয়েছিল, মুলতঃ তা বাস্তবায়িত হয়েছিল উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাতেই। যখন তিনি মারা গেলেন তখন আল্লাহ তাকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পার্শ্বে দাফন করে সম্মানিত করলেন। পুনরায় যখন উত্থিত হবেন তখন তার সাথেই জান্নাতে থাকবেন, আর এটা এমন শ্রেষ্টত্ব যা আল্লাহ যাকে ইচ্ছা প্রদান করে থাকেন, আর আল্লাহ মহান শ্রেষ্টত্বের অধিকারী।

এধরণের দু’জন ব্যক্তিত্ব, যাদের এত উচ্চ মর্যাদা ও এত ফযীলত তাদেরকে হিংসাকারী কি করে হিংসা করতে পারে, কি করে তাদেরকে নিন্দাকারী নিন্দা করতে পারে? আমরা আল্লাহর কাছে অপমাণিত হওয়া থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

﴿ رَبَّنَا اغْفِرْ لَنَا وَلإِخْوَانِنَا الَّذِينَ سَبَقُونَا بِالأِيمَانِ وَلا تَجْعَلْ فِي قُلُوبِنَا غِلاً لِلَّذِينَ آمَنُوا رَبَّنَا إِنَّكَ رَؤُوفٌ رَحِيمٌ﴾ (الحشر:১০)

“হে আমাদের পালণকর্তা, আমাদেরকে এবং ঈমানে অগ্রণী আমাদের ভ্রাতাগণকে ক্ষমা কর এবং ঈমানদারদের বিরুদ্ধে আমাদের অন্তরে কোন বিদ্বেষ রেখো না, হে আমাদের পালণকর্তা, আপনি দয়ালূ পরম করুণাময়”। (সূরা আল হাশরঃ ১০)।

﴿رَبَّنَا لا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِنْ لَدُنْكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنْتَ الْوَهَّابُ﴾(آل عمران:৮)

“হে আমাদের পালনকর্তা, সরল পথ প্রদর্শনের পর তুমি আমাদের অন্তরকে সত্য লংঘনে প্রবৃত্ত করো না এবং তোমার নিকট থেকে আমাদেরকে রহমত দাও। তুমিই সব কিছুর দাতা”। (সূরা আলে-ইমরানঃ ৮)।

আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ

﴿إِنْ تَجْتَنِبُوا كَبَائِرَ مَا تُنْهَوْنَ عَنْهُ نُكَفِّرْ عَنْكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَنُدْخِلْكُمْ مُدْخَلاً كَرِيماً﴾ (النساء:৩১).

“যা থেকে তোমাদের নিষেধ করা হয়েছে যদি তোমরা সে সব বড় গুনাহগুলো থেকে বেঁচে থাকতে পার, তবে তোমাদের ত্র“টি-বিচ্যুতিগুলো ক্ষমা করে দেব এবং সম্মানজনক স্থানে তোমাদের প্রবেশ করাব”। (সূরা আন-নিসাঃ ৩১)।

এ আয়াতের তাফসীরে আল্লামা ইবনে কাসীর (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) ইবনে আবী হাতিম (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) পর্যন্ত সনদ সহ মুগীরা ইবনে মিকসাম (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) থেকে বর্ণনা করেন তিনি বলেছেনঃ (তখনকার যুগে) বলা হতো যে, আবুবকর ও উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমাকে গালি দেয়া কবীরা গুনাহ্র অন্তর্ভূক্ত। তারপর ইবনে কাসীর (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) বলেনঃ আমি বলবঃ আলেমদের একটি দল; সাহাবাদেরকে যারা গালি দেবে তাদেরকে কাফের হবার ব্যাপারে মত ব্যক্ত করেছেন, এটা ইমাম মালেক (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) এরও একটি মত। ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে সীরীন বলেনঃ “আমার বিশ্বাস হয় না কেউ আবুবকর ও উমারের সাথে বিদ্বেষ রাখবে অথচ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ভালবাসে”। ইমাম তিরমিযী তা বর্ণনা করেছেন।



সর্বশেষ আপডেট ( Saturday, 07 November 2009 )